ব্লগিং

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর গুরুত্বপূর্ণ

আপনি যদি ইতিমধ্যে সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর গুরুত্বপূর্ণ ২০২২ অনুসন্ধান করে থাকেন তবে সঠিক জায়গায় এসেছেন। প্রশ্নের উত্তর গুলো পাশাপাশি দেওয়া হয়েছে আপনাদের পড়ার সুবিধার্থে। আপনাদের সিলেবাস ও পাঠ্য সম্পর্কিত আরো প্রশ্নোত্তর ও আমাদের সাইটে খুঁজে পাবেন। চলুন শুরু করা যাক।

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

সৃজনশীল প্রশ্ন নম্বর ১

দাম্পত্য জীবনের কয়েক বছর অতিবাহিত হতেই আসমার স্বামী মারা যায়। আসমাকে আশ্রয় দেয় তার দেবরের ছেলে মজনু। মজনু আসমাকে নিজের মায়ের মতােই শ্রদ্ধা করে। আমার কোনাে চাহিদাই অপূর্ণ রাখে না মজনু। কিন্তু আসমা তাতে তুষ্ট নয়। সে চায় মজনুর সমস্ত সম্পত্তি আর ব্যবসায় দখল করতে। মজনুর শত্রুদের সাথে হাত মিলিয়ে আসমা মজনুকে হত্যা করে এবং তার সমস্ত সম্পত্তির কর্ণধার হয়ে ওঠে।

ক. সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম কী?

খ. ‘দেশপ্রেমিকের রক্ত যেন আবর্জনার স্তুপে চাপা না পড়ে। ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকের আসমার সঙ্গে ‘সিরাজউদ্দৌলা নাটকের কোন চরিত্রের মিল আছে?— বিশ্লেষণ কর।

ঘ. একেই বলে ঘরের শত্রু বিভীষণ’- উক্তিটির যথার্থতা উদ্দীপক ও নাটকের আলােকে বিচার কর।

উপরোক্ত তথ্য অনুযায়ী সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর সম্পর্কিত এই আর্টিকেলে সৃজনশীল প্রশ্নগুলো কেমন হতে পারে তা আপনি দেখে নিয়েছেন। চলুন এবার তবে প্রশ্নের উত্তর গুলোও PDF সহ দেখে নেওয়া যাক।

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পেতে এখানে চাপুন

সৃজনশীল প্রশ্ন নম্বর ১ এর উত্তর সমূহ

ক উত্তরঃ  সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম ইরিচ

খ উত্তরঃ ‘দেশপ্রেমিকের রক্ত যেন আবর্জনার স্কুপে চাপা না পড়ে।’- দেশের জন্য যারা জীবন দিয়েছেন তাদের আদর্শ কেউ যেন ভুলে না।

যায়, তা যেন টিকে থাকে এই দিক বিবেচনা করে নবাব সিরাজউদ্দৌলা এই কথাটি বলেছেন। ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে শত্রুর ভয়ে যখন সবাই পালিয়ে যাচ্ছিল তখন নবাব সিরাজউদ্দৌলা তাদেরকে অভয় দেন। তিনি বলেন পলাশির প্রান্তরে পরাজয়ের পর আমরা যদি প্রাণভয়ে কাপুরুষের মতাে পালিয়ে যাই তবে যারা দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন।

তাদের মর্যাদা ক্ষুন্ন হবে। শত্রুরা আমাদের মাটিতে ঘাঁটি গড়ে তুলবে। ফলে দেশপ্রেমিকের প্রাণ নরপশুদের পায়ের তলায় ভূলুণ্ঠিত হবে। এই বিষয়টি নবাব সিরাজউদ্দৌলা কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি। তাঁর মনে হয়েছে শত্রুর অত্যাচারে এদেশ। তখন আবর্জনার স্তুপে পরিণত হবে। তিনি শহিদ দেশপ্রেমিকদের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেন।

সারকথা : দেশপ্রেমিকের রক্তদান যেন বৃথা না যায়, শত্রু দ্বারা তাদের চেতনা যেন ম্লান না হয়ে যায়, সেই দিকে সজাগ থাকতে নবাব সিরাজউদ্দৌলা প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।

গ উত্তরঃ উদ্দীপকের আসমার সঙ্গে ‘সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ঘসেটি বেগম চরিত্রের মিল আছে।

স্বার্থান্ধ মানুষ নিজেদের স্বার্থে দেশ ও দেশের মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে। এর ফলে জাতিকে চরম মূল্য দিতে হয়, পরাধীনতার গ্লানি নিয়ে বাঁচতে হয়। বিশ্বাসঘাতক লােভীরা তাদের স্বার্থের জন্য সবকিছু করতে পারে। তাদের কাছে রক্তের সম্পর্ক, আত্মীয়-পরিজন অপেক্ষা অর্থ ও ক্ষমতার লােভ বড় হয়ে ওঠে।

See also  ঈদের রাতে স্ত্রী সহবাস করা যাবে কি

উদ্দীপকে আত্মস্বার্থে আত্মীয়-পরিজনের সম্পর্ককে তুচ্ছজ্ঞান করে বিশ্বাসঘাতকতা করার দিকটি তুলে ধরা হয়েছে। এখানে আসমা তার দেবরের ছেলে মজনুর আশ্রয়ে জীবনযাপন করে। তার কোনাে চাহিদাই মজনু অপূর্ণ রাখেনি। অথচ আসমা সম্পত্তি লাভের আশায় মজনুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে এবং তাকে হত্যা করে।

“সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সিরাজের খালা ঘসেটি বেগমের মাঝেও অনুরূপ মনােভাব পরিলক্ষিত হয়। আলিবর্দি খার ইচ্ছা অনুযায়ী তাঁর মৃত্যুর পর ছােট মেয়ে আমিনা বেগমের পুত্র সিরাজউদ্দৌলা নবাব হিসেবে অধিষ্ঠিত হন। ঘসেটি বেগম এটি সহজভাবে মেনে নিতে পারেননি।

তিনি নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে সিংহাসনচ্যুত করতে গােপন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন। শেষ পর্যন্ত তিনি তার ষড়যন্ত্রে সফল হন। নবাব সিরাজ উদ্দৌলা পলাশির যুদ্ধে পরাজিত ও বন্দি হন। মিরজাফর সিংহাসনে বসার পর নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এদিক থেকে উদ্দীপকের আসমার সঙ্গে নাটকের ঘসেটি বেগমের মিল রয়েছে।

সারকথা : উদ্দীপকের আসমা এবং ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের ঘসেটি বেগম উভয়ই লােভী ও স্বার্থপর। তারা নিজেদের ক্ষমতা ও সম্পত্তির লােভে হীন কাজ করতেও দ্বিধা করে না। এদিক থেকে তারা পরস্পর সাদৃশ্যপূর্ণ চরিত্র।

হুবুহু সৃজনশীল প্রশ্ন খবুই কম কমন পড়তে দেখা যায় । তাই এই পোষ্ট সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর pdf এর পাশাপাশি মূল বই থেকে এ সম্পর্কিত আরও বিষয়বলী গুলো ধারণা রাখুন। এতে করে যেভাবেই প্রশ্ন আসুক যাতে আপনি উত্তর দিতে পারেন। চলুন বাকী অংশ পড়ে নেওয়া যাক।

ঘ উত্তরঃ একেই বলে ঘরের শত্রু বিভীষণ’- উক্তিটি যথার্থ। ক্ষমতা ও সম্পদের লােভ মানুষকে অন্ধ করে দেয়। লােভী ব্যক্তিরা নিজেদের স্বার্থে বিশ্বাসের অমর্যাদা করে। এমনকি আত্মীয় ও রক্তের সম্পর্কও ভুলে যায়। আপনজনের বিশ্বাসঘাতকতায় মানুষের জীবনে চরম বিপর্যয় নেমে আসে। তারা সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে।

স্বদেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার কারণে মানুষের প্রিয় স্বাধীনতা হারিয়ে যায়। ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে অল্প বয়সে সিরাজউদ্দৌলার মসনদে বসা, প্রাসাদ ষড়যন্ত্র, নিকট আত্মীয়দের ক্ষমতার লােভে নবাবের বিরােধিতা ইত্যাদি বিষয় প্রকাশ পেয়েছে।

সিরাজউদ্দৌলার খালা ঘসেটি বেগমের ক্ষমতার লােভ ও বিশ্বাসঘাতকতার দিকটি এখানে প্রতিফলিত হয়েছে। নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য সে তার বােনের ছেলে নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে গােপন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। ইংরেজদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নবাবকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে।

উদ্দীপকের আসমাও দেবরের ছেলে মজনুর উপকারের কথা ভুলে। গিয়ে তার শত্রুর সঙ্গে হাত মিলিয়ে তাকে হত্যা করে সম্পত্তি দখল করেছে । উদ্দীপকের মজনুর সম্পদের প্রতি লােভ ও স্বার্থপরতার দিকটি ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের ঘসেটি বেগমের ক্ষমতার লােভ ও স্বার্থপরতার সঙ্গে একসূত্রে গাথা। তারা উভয়েই অমানবিক আচরণ করেছে।

আত্মীয়-পরিজনের সঙ্গে তারা বিশ্বাসঘাতক শত্রুর মতাে ব্যবহার করেছে। তাদের আচরণ প্রচলিত কথা- ‘ঘরের শত্রু বিভীষণ’-এর মতােই। এই দিক থেকে প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

See also  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়ার সহজ উপায়

সারকথা : আত্মীয়স্বজনের বিশ্বাসঘাতকতায় মানুষের জীবনে চরম বিপর্যয় নেমে আসে। কারণ তারা ঘরে থেকেই ঘরের মানুষের ক্ষতি করে। এই দিক থেকে উদ্দীপকের আসমা এবং সিরাজউদ্দৌলা নাটকের ঘসেটি বেগম উভয়ই ‘ঘরের শত্রু বিভীষণ’ সদৃশ।

প্রিয় পাঠক আপনি ইতিমধ্যে আমাদের সাইটের মাধ্যমে সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর ১টি পূর্ণাঙ্গ সম্পন্ন করেছেন। চলুন এ সম্পর্কিত আরও একটি দেখে নেওয়া যাক।

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পেতে এখানে চাপুন

সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর

সৃজনশীল প্রশ্ন নম্বর ২

আমরা যে আশা করে আছি, কখন যে মহা-সেনাপতি আসবে যার ইঙ্গিতে আমাদের মতাে শতকোটি সৈনিক বহ্নি-মুখ পতঙ্গের মতাে ছত্ৰতলে গিয়ে হাজির হাজির’ বলে হাজির হবে। হে আমার অজানা প্রলয়ংকর মহা-সেনানী, তােমায় আমি দেখি নাই, কিন্তু তােমার আদেশ আমি শুনেছি, আমি শুনেছি। আমায় যুদ্ধ ঘােষণার যে তূর্য-বাদনের ভার দিয়েছ, সে ভার আমি মাথা পেতে নিয়েছি। এ যে তােমার হুকুম ।

ক. যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা- উক্তি কার?

খ. “প্রতারণার চেষ্টা করবেন না”- কথাটি কে, কেন বলেছেন?

গ. উদ্দীপকের বক্তব্যে সিরাজউদ্দৌলা নাটকের যে বিশেষ দিকটিকে আলােকপাত করেছে তা ব্যাখ্যা কর।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত মহা-সেনাপতির গুণসমূহ সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সিরাজের মাঝে থাকলেও নবাব। সিরাজউদ্দৌলা ষড়যন্ত্রের শিকার”- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই কর ।

উপরোক্ত তথ্য অনুযায়ী সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর 2022 সম্পর্কিত এই আর্টিকেলে সৃজনশীল প্রশ্নগুলো কেমন হতে পারে তা আপনি দেখে নিয়েছেন। চলুন এবার তবে প্রশ্নের উত্তর গুলোও দেখে নেওয়া যাক।

সৃজনশীল প্রশ্ন নম্বর ২ এর উত্তর সমূহ

ক উত্তরঃ যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা— এই উক্তিটি ক্যাপ্টেন ক্লেটনের।

খ উত্তরঃ প্রতারণার চেষ্টা করবেন না’- কথাটি সেনাপতি মােহনলাল মিরজাফরের পুত্র মিরনকে সাবধান হওয়ার জন্য বলেছেন।

‘সিরাজউদ্দৌলা নাটকে মােহনলাল এক দেশপ্রেমিক সৈনিক। মিরনের বাসগৃহে গােপনে ষড়যন্ত্র চলছে— গুপ্তচর মারফত এই খবর পেয়ে মােহনলাল মিরনের বাসগৃহে উপস্থিত হন। মিরনের কাছে তাদের ষড়যন্ত্র বিষয়ে জানতে চাইলে মিরন তা অস্বীকার করে এবং নানা ছুতােয় তা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তার এই ছলচাতুরী মােহনলাল বুঝতে পারেন। তখন মিরনকে সাবধান হওয়ার জন্য তিনি প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেন ।

সারকথা : ধূর্ত লােকেরা স্বার্থের কারণে প্রতারণা করে। এই বিষয়টি বুঝতে পেরে সেনাপতি মােহনলাল মিরনকে সাবধান হওয়ার জন্য তা প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন। 

গ উত্তরঃ উদ্দীপকের বক্তব্যে সিরাজদ্দৌলা’ নাটকে দেশপ্রেমিক সৈনিকদের অবদানের বিশেষ দিকটিকে আলােকপাত করেছে। দেশের দুর্দিনে যােগ্য নেতার ওপর নির্ভর করেই জাতি সামনে এগিয়ে চলে। জনগণ নেতার আদেশ-নির্দেশ মেনে চলে এবং নেতার আহ্বানে। তারা জীবন দিতেও প্রস্তুত থাকেন। তারা নিজেদের জীবনের পরােয়া করেন না।

যােগ্য নেতার নেতৃত্বেই দেশ এগিয়ে যায়। উদ্দীপকে মহা-সেনাপতির আদেশে সৈনিকদের সাড়া দেওয়ার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। যার ইঙ্গিতের অপেক্ষায় রয়েছে সবাই। যার ইশারা পেলেই জীবন বাজি রেখে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়বে সবাই। উদ্দীপকে সেই মহা-সেনাপতির হুকুমের অপেক্ষায় থাকার কথা বলা হয়েছে।

See also  ফ্রিল্যান্সিং কি এবং এর কাজ সমূহ সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

সিরাজউদ্দৌলা নাটকে মিরজাফর, উমিচাঁদ, জগৎশেঠ, রাজবল্লভ, রায়দুর্লভ, ঘসেটি বেগম নবাবের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলেও মােহনলাল, মিরমর্দান, সফ্রে, নারান সিং প্রমুখ নবাবের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তারা নিজেদের জীবন দিয়ে হলেও শত্রুর হাত থেকে স্বদেশ ও নবাব সিরাজকে রক্ষা করতে চেয়েছেন। তারা দেশ, দেশের মানুষ ও নবাবকে ভালােবেসে তার আজ্ঞা যথাযথভাবে পালন করেছেন।

এভাবে উদ্দীপকের বক্তব্যে ‘সিরাজউদ্দৌলা নাটকের মােহনলাল, মিরমর্দান, সাফ্রে, রাইসুল জুহালা প্রমুখের যে অবদান রয়েছে সেই বিশেষ দিকটিকে আলােকপাত করেছে।

সারকথা : উদ্দীপকের বক্তব্যে স্বদেশ ও স্বজাতির বিপদের সময় যােগ্য নেতার এগিয়ে আসা এবং জাতিকে আসন্ন সংকট থেকে উত্তরণের i) অবদানের কথা বলা হয়েছে। এই বিষয়টি ‘সিরাজউদ্দৌলা নাটকের দেশপ্রেমিক সৈনিকদের স্বদেশ ও স্বজাতির প্রতি গভীর ভালােবাসা ও আত্মত্যাগের বিষয়টির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

আপনি এই পোষ্টে সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর  নিয়ে পড়তেছেন। এটি পূর্ণাঙ্গ পড়া শেষে আপনি এ সম্পর্কিত আরও পাঠ্য আমাদের সাইটে খুঁজে সার্চ বক্সে অনুসন্ধান করতে পারেন। চলুন বাকী অংশ পড়ে নেওয়া যাক।

ঘ উত্তরঃ “উদ্দীপকে উল্লিখিত মহা-সেনাপতির গুণসমূহ ‘সিরাজদ্দৌলা নাটকের সিরাজের মাঝে থাকলেও নবাব সিরাজউদ্দৌলা ষড়যন্ত্রের শিকার”- মন্তব্যটি যথার্থ।

বিশ্বাস অত্যন্ত মূল্যবান একটি বস্তু। কেউ একবার অবিশ্বাসী হয়ে গেলে তাকে আর পুনরায় বিশ্বাস করা যায় না। অবিশ্বাসী মানুষ সর্বত্রই নিন্দিত। অন্যদিকে বিশ্বাসী মানুষ সবসময় সর্বত্রই প্রশংসিত। উদ্দীপকে মহা-সেনাপতির আদেশের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।

শত-কোটি সেনা তাঁর আদেশের অপেক্ষা করছে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য। কারণ তারা মহা-সেনাপতিকে মান্য করে চলে এবং দেশকে ভালােবাসে। সিরাজদ্দৌলা নাটকে পলাশির প্রান্তরে হাজারাে সেনা নবাব | সিরাজউদ্দৌলার আদেশের অপেক্ষায় থাকে। তখনও সিরাজউদ্দৌলা ষড়যন্ত্রের শিকার।

প্রধান সেনাপতি মিরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতায় পলাশির প্রান্তরে বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলা হেরে গেছেন, যারা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে ইতিহাসের বুকে তারা ঘৃণিত হয়ে আছে। নবাবের হাজারাে বিশ্বস্ত সৈনিক সেই যুদ্ধে অংশ নিলেও কিছু ষড়যন্ত্রকারীর কারণে তারা সেই যুদ্ধে পরাজিত হয়েছেন।

উদ্দীপকে মহা-সেনাপতির বলিষ্ঠ নেতৃত্বের পরিচয় ফুটে উঠেছে। সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে সিরাজউদ্দৌলার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব প্রকাশ পেলেও তা ফলপ্রসূ হতে পারেনি। কারণ তিনি আত্মীয়-পরিজন ও প্রধান সেনাপতি দ্বারা নির্মম ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন।

তাই বলা যায়, উদ্দীপকে উল্লিখিত মহা-সেনাপতির গুণসমূহ ‘সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সিরাজের মাঝে থাকলেও নবাব সিরাজউদ্দৌলা ষড়যন্ত্রের শিকার । এদিক থেকে মন্তব্যটি যথার্থ।

সারকথা : উদ্দীপকের মহা-সেনাপতির গুণসমূহ সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সিরাজের মধ্যে বিদ্যমান থাকলেও ষড়যন্ত্রের কারণে তিনি তা সফল করতে পারেননি। তিনি আত্মীয়-পরিজন ও অমাত্যদের বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয়েছেন। এই বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

প্রিয় পাঠক আশাকরি আপনার কাঙ্খিত তথ্য সিরাজউদ্দৌলা নাটকের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর ২০২২ আমাদের সাইটের মাধ্যমে সহজেই বুঝে নিতে পেরেছেন।

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পেতে এখানে চাপুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button